ইলেকট্রিকের তারের ডিসচার্জে আহত হয়ে তিনতলার উপর থেকে একটা কাক প্যারাট্রুপারের মত আরকিমিডিয়ান স্পাইরাল হয়ে নিচে পরছিল।
ঠিক তখনি কোলনিয়াল নাইজেরিয়ার বোরনো রাজপরিবারের শেষ জীবন্ত সদস্য বোকো হারামের সাথে হাত মিলিয়ে অ্যাসল্ট রাইফেল তুলে টার্গেট প্র্যাক্টিস করতে গ্যালো।
ঠিক তারপরেই ভুটান-চিন সীমান্তের লায়া গ্রামে একটি মেয়ে ঝরনা থেকে ট্রাউট ধরতে গিয়ে দেখল ঝরনার জলের ধারার ঠিক পেছনেই গুরু পদ্মসম্ভবের আদিম বে-উল। জীবনের শেষ দিনগুলিতে পদ্মসম্ভব বলে গেছিলেন, পৃথিবীতে যতই বানভাসি, গ্লোবাল ওয়ারর্মিং, অগ্নুৎপাত, ভূমিকম্প হক না কেন, পবিত্র মনের মানুষদের জন্যে তিনি হিন্দুকুশ থেকে হিমালয়ের পূর্বকোণ অবদি তিনি সদাই সুখের স্বর্গরাজ্য এই বে-উল গুলি বানিয়ে গ্যাছেন।
ঝরনা পার করার সময়েই, মধ্য ইয়োরোপের একটি দেশ নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করে।
আর সূর্যেের আলো গ্রিনিচ মানমন্দির টপকানোর আগেই পেঙ্গুইনরা নিজেদের মধ্যে ঠিক করে এবার তারা আমেরিকান মিলিওনেয়ার দের বিরুদ্ধে সম্মুখ সমরে নামবে।
তাদের ওয়ার-স্ট্রাটেজি গুলি কোন প্রাইভেট বডি স্পন্সর করার ভাবনাচিন্তা শুরু করার আগেই, মৌলবাদী, অথারিটেরিয়ান ভারত-সরকার গরিব প্রান্তিক আদিবাসীদের মেরে তাড়ানোর জন্যে উর্দি পরা রোবট বাহিনী নামিয়েছিল।
রোবটদের জন্যে পেট্রোল এর জোগানে টান পরার আগেই, উত্তর পূর্বের আদিম জঙ্গল থেকে শিকড়হীন গাছেদের দল বেরিয়ে এসেছিল। তাদের বহুদিনের ইচ্ছা, আজ তারা শহর মেরে খাবে।
ঠিক তখনি কোলনিয়াল নাইজেরিয়ার বোরনো রাজপরিবারের শেষ জীবন্ত সদস্য বোকো হারামের সাথে হাত মিলিয়ে অ্যাসল্ট রাইফেল তুলে টার্গেট প্র্যাক্টিস করতে গ্যালো।
ঠিক তারপরেই ভুটান-চিন সীমান্তের লায়া গ্রামে একটি মেয়ে ঝরনা থেকে ট্রাউট ধরতে গিয়ে দেখল ঝরনার জলের ধারার ঠিক পেছনেই গুরু পদ্মসম্ভবের আদিম বে-উল। জীবনের শেষ দিনগুলিতে পদ্মসম্ভব বলে গেছিলেন, পৃথিবীতে যতই বানভাসি, গ্লোবাল ওয়ারর্মিং, অগ্নুৎপাত, ভূমিকম্প হক না কেন, পবিত্র মনের মানুষদের জন্যে তিনি হিন্দুকুশ থেকে হিমালয়ের পূর্বকোণ অবদি তিনি সদাই সুখের স্বর্গরাজ্য এই বে-উল গুলি বানিয়ে গ্যাছেন।
ঝরনা পার করার সময়েই, মধ্য ইয়োরোপের একটি দেশ নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করে।
আর সূর্যেের আলো গ্রিনিচ মানমন্দির টপকানোর আগেই পেঙ্গুইনরা নিজেদের মধ্যে ঠিক করে এবার তারা আমেরিকান মিলিওনেয়ার দের বিরুদ্ধে সম্মুখ সমরে নামবে।
তাদের ওয়ার-স্ট্রাটেজি গুলি কোন প্রাইভেট বডি স্পন্সর করার ভাবনাচিন্তা শুরু করার আগেই, মৌলবাদী, অথারিটেরিয়ান ভারত-সরকার গরিব প্রান্তিক আদিবাসীদের মেরে তাড়ানোর জন্যে উর্দি পরা রোবট বাহিনী নামিয়েছিল।
রোবটদের জন্যে পেট্রোল এর জোগানে টান পরার আগেই, উত্তর পূর্বের আদিম জঙ্গল থেকে শিকড়হীন গাছেদের দল বেরিয়ে এসেছিল। তাদের বহুদিনের ইচ্ছা, আজ তারা শহর মেরে খাবে।
ঠিক যখন সারা পৃথিবী ওলট পালট হয়ে যাচ্ছিল, তখন আমার পাশের বাড়ির ছেলেটি বারান্দা থেকে রাস্তার উপর পরে থাকা কাকের ডেড বডি টার দিকে তাকিয়ে ভাবছিল, একে কবর দেওয়া উচিত না চিতেয় তোলা,
ঠিক তখন আলসের পাশ থেকে কর্কশ গলায় কে যেন বলে উঠলো,
- "আহারে কতই বা বয়েস হবে!"
ছেলেটি মুখ তুলে তাকিয়ে দেখল, একটা কাক, ঠোঁট টা জেট ব্ল্যাক, তার ডানায় একটি পেন্সিল আর তার অবয়ব অবিকল বাবার আলমারি তে রাখা কোন এক বাংলা কবিতার বইয়ের একটা পারটিকুলার কাকের ছবির মত।
- "তুমি কি কাক?"
- "হ্যাঁ কিন্তু আমি দাঁড়-কাক, মধ্যকলকাতার রেস্পেক্টে বেশ এগজটিক।"
কাক কি করে বাংলা বলে এটা মাথায় আসার আগেই, কাকটি নিজেই বলল, "আসলে বেশ একশ বছর আগে এক বাঙ্গালি কবি আমায় ছুঁড়ে ছুঁড়ে মুড়ি খাওয়াতেন আর নিজের মনেই কথা বলতেন, সেই থেকে শিখে গেছি।" সে বলেই চলল, " কাকেদের তো আর চিতে বা কবর হয়না, কাকেদের সমাধি মানে ডিকম্পসিসান। মাটি আমাদের নিলে তবেই মোক্ষলাভ।"
ছেলেটি বাবার সাথে একটা কিউবান সিনেমায় দেখেছিল বাবামা যুুদ্ধে মারা যাওয়ার পর অনাথ বাচ্চারা কিভাবে সারা দেশ ঘুরে বেরায়। সেই খেয়াল থেকেই জিজ্ঞেস করল, "এর ছানা দের কিি হবে?"
- " আরে যাহ! সে ব্যাবস্থা কি আর আমি করে রাখিনি? দুটো ছানা আছে। তার মধ্যে একটি তো একেবারে শুয়োরের বাচ্চা, প্লাস্টিক ছাড়া কিছু খায়না। বাপ টা তো আগের মাসের পূর্ণিমায় মরল অখাদ্য কুখাদ্য খেয়ে!
ঠিক তখন আলসের পাশ থেকে কর্কশ গলায় কে যেন বলে উঠলো,
- "আহারে কতই বা বয়েস হবে!"
ছেলেটি মুখ তুলে তাকিয়ে দেখল, একটা কাক, ঠোঁট টা জেট ব্ল্যাক, তার ডানায় একটি পেন্সিল আর তার অবয়ব অবিকল বাবার আলমারি তে রাখা কোন এক বাংলা কবিতার বইয়ের একটা পারটিকুলার কাকের ছবির মত।
- "তুমি কি কাক?"
- "হ্যাঁ কিন্তু আমি দাঁড়-কাক, মধ্যকলকাতার রেস্পেক্টে বেশ এগজটিক।"
কাক কি করে বাংলা বলে এটা মাথায় আসার আগেই, কাকটি নিজেই বলল, "আসলে বেশ একশ বছর আগে এক বাঙ্গালি কবি আমায় ছুঁড়ে ছুঁড়ে মুড়ি খাওয়াতেন আর নিজের মনেই কথা বলতেন, সেই থেকে শিখে গেছি।" সে বলেই চলল, " কাকেদের তো আর চিতে বা কবর হয়না, কাকেদের সমাধি মানে ডিকম্পসিসান। মাটি আমাদের নিলে তবেই মোক্ষলাভ।"
ছেলেটি বাবার সাথে একটা কিউবান সিনেমায় দেখেছিল বাবামা যুুদ্ধে মারা যাওয়ার পর অনাথ বাচ্চারা কিভাবে সারা দেশ ঘুরে বেরায়। সেই খেয়াল থেকেই জিজ্ঞেস করল, "এর ছানা দের কিি হবে?"
- " আরে যাহ! সে ব্যাবস্থা কি আর আমি করে রাখিনি? দুটো ছানা আছে। তার মধ্যে একটি তো একেবারে শুয়োরের বাচ্চা, প্লাস্টিক ছাড়া কিছু খায়না। বাপ টা তো আগের মাসের পূর্ণিমায় মরল অখাদ্য কুখাদ্য খেয়ে!
তোমাদের বাড়ির পিছনের কাঁঠাল গাছে এক হোমোসেক্সচুয়াল দম্পতি থাকে, তারা বলেছে ওদের অ্যাডপ্ট করবে। দুটি ছেলে কাক তো আর ডিম দেবেনা।"
- "কেন হবে না?"
- "কারণ ব্যাপারটা আরেকটু কম্পলিকেটেেড, কেউ কেউ হয় যারা ছেলেরা-ছেলেরা বা মেয়েরা মেয়েরাই একসাথে বাঁচতে চায়, তাদের কাছে ডিম পারার ব্যাপার টা একটু ঘোরাল হয়ে যায়, কিন্তু জান, আমাদের পাখিদের জগতে তারাই অনাথ ছানাদের আশ্রয় দেয়, আমি শুনেছি আজকাল মানুষদের মধ্যেও আজকাল এরকম শুরু হয়েছে। কিন্তু সবাই নাকি তাদের দুচ্ছাই করে? ইহা কি সত্য?"
- " আমি তো জানিনা? বাবা কে জিজ্ঞেস করে বলব?"
- "সে যখন করবে কর, বাবাকে এটাও বলে দিও যে দণ্ডবায়স বলেছে কে কার সাথে থাকবে সেটা সম্পূর্ণ তাদের ব্যাপার, তোমার বাবারা জ্যান তাতে নাক গলিয়ে সময় নষ্ট না করেন। আমিও আর সময় নষ্ট করবও না, আমাকে এখুনি তিব্বত যেতে হবে।"
এই বলে প্রকাণ্ড ডানা ঝাপটিয়ে কাকটি সেখান থেকে মেলট্রেনের স্পিডে উড়ে চোখের সামনে থেকে হারিয়ে গ্যাল, হাওয়ার ধাক্কায় হরলিকসের গ্লাস টা তিনতলা থেকে ছিটকে পড়ে যাওয়ার পর ছেলেটি তাকিয়ে দেখল যেখানে কাকটি বসেছিল সেখানে একটা পেন্সিল পরে আছে।