Wednesday, October 23, 2013

ওয়াটার-মার্ক



কাল পরশু ভাত খাইনি, টিপিকাল বাঙালীদের মত ভাত-ভাজা খেয়েছি। আজ তাই একটা ফটোগ্রাফি পেজ খুলবো। 
ব্যাস! দ্যাটস ইট!

দন্ড-বায়স গত পরশু টালি নালার জলে লম্বালম্বা ঠোঁট চুবিয়ে একটা ডি-সাড়ে-সাত-লাখ এনে দিয়েছে। আজ সারাদিন কোন কাজ ছিলনা, তাই ছাদে উঠে কাপড়জামা শুকানোর ক্লিপের ম্যাক্রো তুলেছি, পার্ক স্ট্রিট সাইজের প্রিন্ট ও করিয়েছি। একখানা পুষ্পক রথের সাইলেন্সারের সাইজের দূরবীন লেন্সও আমার আছে। তাই দিয়ে পায়রার খোপের মধ্যে অ্যাটমিক চিটচিটে গুয়েরও সেক্সি ছবি তোলা যায়। অবজেক্ট এর পেছনে হুলহুল ‘বোকে’ দ্যাখা যায়।

জানিস পেঁয়াজির বাচ্ছা, ফেসবুকে আমার ফটোগ্রাফি পেজে কতো গুলো ‘লাইক’?! সাড়ে তেরো হাজার!
জানিস ষোল টা এমন দেশ আছে যেখানকার জনসংখ্যাও তেরো হাজারের কম?!

আমি ন্যাংটো বাচ্ছার ছবি আজকাল আর তুলিনা, আই ডোন্ট সেল মাই কান্ট্রিস পভার্টি। তার চেয়ে বরং অনেক সোজা এবং সাব্লাইম ফেসবুকে একটা ঘ্যাম অ্যান্টি-ইন্টেলেকচুয়াল টাইমলাইন বানানো, তারপর জাস্ট ছিপ ফ্যালো আর মাগি তোল। তারপর দেখবে ক্যামন কামানো বগলের মত স্মুদলী ওরাই তোমার স্ট্যান্ডার্ড কোথায় নিয়ে চলে যায়। শনি-রোববার ফটো-শুট। তারপর সন্ধেবেলা ফটো-শপ। রাত্তিরে আপলোড! তারপর রক-অ্যান-রোল!

বাঙালীদের একটা বেসিক দোষ হল ওরা বড্ড বলতে ভালবাসে। কন্টেন্ট আর ওয়ে অফ প্রেজেন্টেশান যাই হোক না ক্যান। তাই ৭০’এ বোমা ও কাব্যগ্রন্থ, ৮০’তে লিটিল ম্যাগ আর ক্লাব-দা-গিরি, ৯০’এ গীটার আর অন্যমনস্কতা আর এই দু-হাজার দশে ফটোগ্রাফি পেজ। অবশ্য শুধু বাঙ্গালিই না, রথিন্দ্রনাথো-গ্রাফি আর রনীত-ক্লিক্সের মধ্যে আর কতই বা ডিফারেন্স? শুধু ছবি তুলেই বিপ্লব। শুধিয়ে দ্যাখো তাদের, ও দাদা, বিপ্লব হলে ‘পর কি করবেন?      
–‘ক্যান? বিপ্লবের ছবি তুলবো!’

ধরা যাক, আমাদের মুখ্যমন্ত্রী একটি ফটোগ্রাফি পেজ খুললেন।
তর্কের খাতিরে ধরে নেওয়া যাক সেটির নাম মা-গ্রাফি, মানুস-গ্রাফি বা মাটি-গ্রাফি তাহলে ভাবুন পুরো বাংলা জুড়ে কতো জন সস্তার গ্রাফিক-ডিজাইনার এর পরিবার চুদে যেত? আহা, প্রতি মাসে ওনার কাট-আউট বানাতে পার্টির কতো খর্চা হয় বলুন ত? 
(আরে! শেল্ফ-অবসেসান!)

যাকগে, একটু পাকামি করি?

মানুষের চোখের প্রতিচ্ছবি কতো মেগাপিক্সেল বলুন ত?
(জানেন না? গুগল করে নিন।)

Sunday, October 20, 2013

Every Dog Has Its Day. Every Bong has its Bijoya



(Author : Abhidip 'makai' Sengupta)
 




Well, I never really understood the true meaning of celebrating Bijoya. Fucking Bengalis, they drink, party and fuck around for 4 days and after that also they need to celebrate the hangover. I mean why?!?!

Probably it is just a month long after party. Then again the mighty Diwali, sorry the Kali Pujo comes, the day people get drunk with a phooljhuri (phooljhari) shoved up in their asses and stud school boys act all cool by bursting their illegal chocolate bombs with cigarettes. (Yes, I used to do this.)
So, yes, Bijoya. The celebration celebrating the end of the celebration of Durga Puja. Yes, might sound a bit confusing, but this is how I felt throughout my life.

This year, on the last day, rather night of Durga Puja (Dashami) when everything was over (starting from women playing with sindoor wearing red-white sarees and all the other things you saw in ‘Kahaani’ to the idol getting immersed in the Hooghly River from the ghats were couples grope each other on normal days), even the ultra-pathetic, shoot yourself-worthy cultural programs in our Housing Complex in which kids who can’t even properly aim and pee sing Rabindrasangeet with huge ass harmoniums were over. Me and my friend Dhrubo (Both of us were extremely inebriated, heh heh) were sitting in one corner and talking about random shit.
Now, what happens next, sums up Durga Puja in the best possible way.

The scene in the pandal was kinda sad, electricians were packing up the mics, and speakers, Dhaakis (Well, Puja Drummers, could not think of a better translation) were making their beds and planning to sleep, all the organizing committee uncles were sitting in a circle, chilling and discussing and praising themselves how successful the Puja was, even though the rains fucked it up a bit. And all the aunties tired of conducting all the Pujas and the rituals were concurring with their husbands.

And there were some kids, 6-8 years old, annoying as fuck with their ‘phat phat’ cap pistols.

Now something hilarious happens, a group of 4 stray dogs, dirty as fuck, I mean not cute dirty, I am talking about ‘bloody eaten up skin through which you can see the flesh’ dirty comes running towards the kids while barking as loud as hell in a synchronized style, clearly they were in a mood to completely fuck those annoying kids up and leave no trace of them. They were like a proper army  of disgusting stray dogs, who did not get to sleep in the community hall for 4 days thanks to Durga Puja, they were not even allowed within the 50 mts radius of the Pandal, as they might attack the Puja rations,  not only that, constant torture of loud speakers made them desperate to fight against the bloody human species

They were as resolute as Jihadis, they came barking and scared the shit out of those kids, I am pretty sure, 2 of them urinated on their new puja clothes, which they bought from Pantaloons Factory Outlet. And 1 of those fucking dogs managed to land a bite on the most annoying kid’s leg. All the uncles and aunties started shouting, the dog gang escaped before the security guards came with their sticks. The best surprise attack I have ever seen. At least 10 times better than what Hrithik Roshan did in Lakshya.

The poor kid who got bitten started crying, obviously. (His cry was 100 times more annoying than the cap pistol sounds). Suddenly an emergency situation took place, all the uncles and aunties became concerned and started showing their concern by leaving the pandal one by one, the uncle with the car was the first one to fuck off.Seriously, who wants to celebrate ending of the Durga Puja with an annoying, little, dog bitten, piece of shit.
And that’s how the august gathering ended. Durga Puja got officially over in our housing complex.

The entire thing happened in just 5 minutes. Dhrubo and I saw the entire thing and he said, “We go crazy about Pujo, Pujo Pujo, it’s all over now, thanks to those 4 stray dogs, who took the responsibility of ass fucking the pujo on its last few remaining minutes.”

As if this dog gang made a statement “There you go motherfuckers! It’s our time now, 4 days are over”.
And we say, “Fuck off ! We have Shubho Bijoya!”

Wednesday, October 16, 2013

টেলেগ্রাফের তারে বসা তিনটে আল্টিমেট ফিঙে পাখি



(১)
 
তন্ময় বাবু যখন ছোট ছিলেন তখন তাকে একবার তার বাবা বলেছিলেন, "বাবুয়া, তোর মার সাথে যেই থাকবে, তার স্ট্যান্ডার্ড লো থেকে আরো লোয়ার হতে থাকবে। তোর মা এত জেদি যে শাদা আর কালোর মধ্যে যে কতো রকম শেডস আছে সেটা তোর মা দেখতেই পেল না। নিজে আগে কোন কিছু বিশ্বাস করে আঁকড়ে ধরে, তারপর তার পেছনে যুক্তি সাজায়, ভুল প্রসেস। তবে কতো লোকই ত কতো রকমের হয়। যাক গে। মার থেকে ফিলসফীকাল হেল্প নিতে যেও না, নিজের যুক্তি-বুদ্ধি সব ঘেঁটে যাবে।"
কড়া হুইস্কির গন্ধ টাও তার পর বাবার সাথে তার নিজের ঘরের দরজার ওপারে গিয়ে দীর্ঘশ্বাস ফেলেছিল।
কিন্তু তন্ময় বাবু খুব জোরে কেঁদে ফেলতে বা অবাক হয়ে যেতে পারেননি। তিনি নিজের ঘরে গিয়ে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে এক বার বিচ্ছিরি ভাবে জিভ ভেঙ্গিয়েছিলেন। তারপর নিজেই চমৎকৃত হয়েছিলেন, জিভ ভ্যাঙ্গানোর এফিসিয়েন্সি দেখে। রাগ, দুঃখ, অভিমান, মনের ভেতর কুরে কুরে খাওয়া বিস্ময় সব এক নিমেষে হাওয়া!
তারপর থেকে তন্ময় বাবু তার জীবনের প্রতি টা টারনিং পয়েন্টে দাঁড়িয়ে উপলব্ধি করেছেন জিভ ভ্যাঙ্গানোর মত সহজ ওষুধ আর কিছু হতেই পারেনা।
বোর্ডস পরীক্ষার সময় অ্যাডভোকেট কাকু তাকে যখন মিষ্টি হেসে জিজ্ঞেস করলেন, 'কি বাবু? কার সাথে থাকবে? মা না বাবা?', তিনি ঐ মুহূর্তে মেনটাল টারময়েল নিতে না পেরে হঠাৎ দু ইঞ্চি লম্বা জিভ বের করে জুনিয়র উকিল টিকে দেখিয়ে দিয়েছিলেন। সবাই ভেবেছিল সে শকে পাগল হয়ে গ্যাছে। কিন্তু তিনি তখন বুঝতে পেরেছিলেন যে তার কতো হাল্কা লাগছে। কাউকে বোঝাবার চেষ্টাও করেননি, আর এই ঘটনার কিছুদিন বাদে কারোর আর কিছু গেল এলো না।


সাতাশে পা দেওয়ার পরই তার বিয়ে হয়ে যায়। পড়াশোনায় খারাপ ছিলেন না, ভাল চাকরি করতেন। ফুলশয্যার রাতে বউয়ের ব্লাউসের প্রথম দু তো বোতাম খুলে, এত টাই ঘাবড়ে গেছিলেন যে বউকে হঠাৎ জিভ ভেঙ্গিয়ে দেন। বউ টি অদ্ভুত ভাবে তার দিকে অনেক ক্ষণ তাকিয়ে থাকার পর, ওপাশ ফিরে শুয়ে পড়েছিলো।
বিবাহিত জীবনেও ধরে নেওয়া যায়, তিনি বা তার বউ, কেউই খুব একটা সুখি নয়। কারন সুখি হয়ে গেলে যতটা ইনিসিয়েটিভ নিতে হয়, তিনি তার ধার কাছ দিয়েও হাঁটতে পারেননি।

এইভাবে দিনের পর দিন জিভ ভ্যাঙ্গানোর সাথে তার একটা সহজ সখ্যতা তৈরি হয়ে গেছিলো। যেটা তিনি সপ্তমীর দিন সকালে শ্বশুর বাড়ি যাওয়ার পথে সুলেখার মোড়ে রিক্সাওয়ালার সাথে ঝগড়া করার সময়ও ত্যাগ করতে পারেননি।


(২)


রাই অ্যান্ড আই হ্যাড সেক্স টুডে, ফর দ্য ফার্স্ট টাইম। 

প্রথম বারের কিছু সংকোচ, কিছু অবিশ্বাস, ভয়, সবকিছু মিলিয়ে বুকের মধ্যে যে ঘোড়া দৌড় টা হচ্ছিলো, সেটার জন্যেই মেনলী, আমরা কাঊকে দোষারোপ না করেও, অটোতে নির্বাক হয়ে পাশাপাশি বসেছিলাম। রাই এর ডান হাত টা আমার হাঁটুতে খোঁচা মারছিল আর আমি ভাবছিলাম সহযাত্রী দের নজর এড়িয়ে সেটা এক বার সেটা কিভাবে ধরা যায়।


হঠাৎ নীরবতা ভেঙ্গে, গাড়ি ঘোড়ার শব্দ ছাপিয়ে, রাই বলে ঊঠলো, ' অ্যাই! ঐ লোক টা আমাকে ভ্যাঙ্গালো!'
আমি ডান দিকের রাস্তার ওপারে তাকিয়ে দেখলাম, একটা লোক, সাদা-মাটা দেখতে, পাজামা পাঞ্জাবী পরা, সম্ভবত ষাটোর্ধ, তখনও অপ্রস্তুত ফ্যালফ্যালে দৃষ্টিতে আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে।

রাই তখন বলে যাচ্ছিল, 'লোক টা কিন্তু খারাপ কিছু জেশ্চার করেনি, অ্যাম শিওর, কিন্তু হঠাৎ এমনি কেন করবে? কী অদ্ভুত! পাগল নাকি! ...'
ওর ঠোটের দু টো কোনা দিয়ে ওর টিপিক্যাল দামী মদের মতো হাসি টা ঊপছীয়ে পড়ছিল। অ্টোর মধ্যেকার ট্রপিকাল রেন- ক্লাউড কেটে গিয়ে হঠাৎ সূর্য উঠেছিল।


(৩)



ইতিমধ্যে, আমাদের সবার মাথার উপর টেলেগ্রাফের তারে বসা তিনটে আল্টিমেট ফিঙে পাখি খুব হাসছিল! দ্যাখ শুয়োরের বাচ্চা, দাবা খেলা কাকে বলে!


Saturday, October 12, 2013

Reverse Blueballs এবং তার প্রতিকার

- জানিস ব্লু-বলস কাকে বলে?
- কি করে জানব, আমি তো আর তোর মত আমেরিকান সিরিজ দেখে দেখে ছেলেবেলা টা কাটাই নি।
- আঃ! অশিক্ষিতর বাচ্চা! হ্যান্ডেল মারতে কোন ক্লাস এ শিখেছিস?
- ক্লাস নাইনে, প্রথম বার পানু দেখেছহিলাম ক্লাস সেভেন এ। প্রায় বমি পেয়ে গেসলো।
- ওহফ! ন্যাকাচোদা। আমি ক্লাস এইটে শিখেছিলাম। আমাদের ক্লাসে সন্দীপন বলে একটা ছেলে পড়তো। বাঁশদ্রোণী খাল পাড়ে থাকতো। বাপ দিনে কারখানায় আর রাতে পাড়ায় তৃণমূলের নাম করে হুজ্জতি করত। এক নম্বরের রাঁড়বাজ মাল ছিল। সেই ছেলে টা একদিন স্কুলে এসে আমায় বলেছিল, " দ্বৈপায়ন, রাত্তি বেলা কেবেল চ্যানেল এ টুকুস টুকুস মাই-ওয়ালা মাগি দ্যাখায়, ওগুলো দেখতে দেখতে নিজের বাঁড়া টার উপরের স্কিন টা নিয়ে নাড়াচাড়া করবি, দেখবি কি আরাম হবে! "
- আহারে! তারপর?
- তারপর আর কি, ঠিক মনে হল আমি কোনো ডাবল এজেন্ট, সীমান্তের এক প্রান্তের খবর আরেক প্রান্তে পোঁছাতে যাবো। আর সন্দীপন আমার ইনফরমার। কি অদ্ভুত সেই থ্রিল্।
-ঐ দিন ই ফার্স্ট  হ্যান্ডেল মারলি?
-পাগল নাকি? আমি পুরো ব্যাপার টা আগে গিয়ে বললাম আমাদের অ্যারিস্ততল, মকাই বলে আরেক বন্ধুকে।
-কি বললি এক্স্যাক্টলী?
- বললাম, "ও এরকম করতে বলল, করা টা কি উচিত হবে?", শুনে মকাই বলল, " হ্যাঁ, অবশ্যই, শুধু প্রথম বারে তো কিছু হবে না, খাল দিয়ে পানি বওয়ানোর জন্যে কিছু তো স্যাক্রিফাইস করতে হবে।" আমি জিজ্ঞেস করলাম, "কি করতে হবে?", তখন আমি উত্তেজনার একটা আলাদা লেভেলে আছি,মকাই ঠাণ্ডা গলায় বলল, "ভাই, বার বার করতে হবে, প্র্যাকটিস করতে হবে, দীপঙ্কর দা'র ক্লাসে শুধু রাইডার পারলে হবে, শুয়োরের বাচ্চা?"
আমি তখন উত্তেজনায়, ঘেমে নেয়ে টেনসানে ল্যাবাচোদা হয়ে গেছি। চুপ চাপ শুনলাম, আর কাউকে কিছু বললাম না।
- তারপর? কবে মারলি?
- আরে ঐদিন বারি ফিরে, হোম ওয়ার্ক নিয়ে এতই মগ্ন হয়ে গেছিলাম যে এই কথা টা ভুলেই গেছিলাম। র‍্যাঙ্ক করতাম, পড়াশোনা-চোদা ছিলাম। সুযোগ টা এলো তার দিন তিনেক পর। স্কুল থেকে বারি ফিরে দেখি বাবা মা উত্তাল ঝগড়া করছে। চারি দিকে ভাঙ্গা ফুলদানী, ক্রকারিস, বেডরুম টা খোঁয়াড় হয়ে আছে। এরকম কিছু হলে বাপ-মা আমাকে কামডহরিতে দিদার কাছে পাঠিয়ে দিত। দিদার বাড়ি টা একটা অদ্ভুত ইউটোপিয়া ছিল। ময়দার রুটি, পনীর এর অসাধারন একটা তরকারি, মিষ্টি খেয়ে, রাতের বেলা ইচ্ছে করে টিভির ঘরে শুলাম।
- তারপর? খ্যাঁচালি?
- আরে, শোননা বোকাচোদা! দিদা তো ঘুমের ওষুধ খেয়ে ১২ টার মধ্যে কাদা, তারপর আমি চোরের মত এফ-টিভি টা চালালাম। সুইম-স্যুটস। আহা! রোগা রোগা মেয়ে গুলো দুদু বের করে, রিঅ্যাকশান-লেস মুখ করে, টুক টুক করে হাঁটছে, শরীর এর এই পাশ ঐ পাশ দিয়ে সাইকেডেলিক আলো, কি অদ্ভুত ভালই না লাগছে! আমি আস্তে আস্তে প্যান্টে হাত ঢোকালাম।
- হল? মাল বেরোল?
-বেরোল মানে? হই হই করে বেরোল! তার পর একটা ট্রিপের মত ফীলিং। সব কিছু ভাল লাগছে। নিজের মস্তিস্কের উপর কেমিক্যাল ম্যানিপুলেশান যেন। আই ওয়েনট আউট অফ কন্ট্রোল। তার পর গুনে গুনে আট বার খ্যাঁচালাম। জেই দাঁড়ানোর কনডিশানে আসছে অমনি শুরু, আব্র ক্লান্ত হয়ে পরলে আধ ঘণ্টার গ্যাপ। যৌনাঙ্গ টা তখন পচা পাউরুটি হয়ে গ্যাছে। মাথা ঘুরছে।
-তারপর?
- পরদিন দিদার বাড়ি থেকেই স্কুলে গেলাম। ফার্স্ট পিরিয়ডে ক্লাস টিচারের জিওগ্রাফী ক্লাস হয়ে যাওয়ার পর, মকাই এর কাছে আবার গেলাম। জিজ্ঞাসা করলাম, "ভাই, বাঁড়া টার তো এরকম করুন কনডিশান, কি করব? টিউব-ওয়েল টা তো সারাতে হবে? ব্যাথায় তো ভাল করে বসতেও পারছি না!" মকাই একটা ঠাণ্ডা চোখে আমার দিকে তাকাল, বলল,"ঠিক করে দেব? এই প্রবলেম টার নাম  Reverse-Blueballs", তখন মকাই ক্লাস এইট কিন্তু, সেক্স-পার্ট, সেক্স- অ্যাডভাইসার, তখন থেকেই।**
-কি ভাবে সারাল?
-সেটা থাক, আর বলব না। আনেক রকম উপায় আছে। হি অ্যাপ্লায়েড দ্য বেস্ট মেথড।
-বলনা?
-থাক।***







(** মকাই আস্তে আস্তে আমার দিকে এগিয়ে এলো, লাইটের স্পিডে আমার বাঁড়া টা বজ্র-থাবায় ধরল, তার পর প্যাঁ করে টিপে দিলো। আমি তখন যন্ত্রণার চোটে নীল হয়ে গেছি। মকাই আমার কানে ফিসফিস করে বলল, "যা বাঁড়া, এবার এমন ব্যাথা হবে যে আর কিছু বুঝতেই পারবিনা। নাম্ব হয়ে যাবে। আমি খাবি খেতে খেতে প্রশ্ন করলাম, "আবার বেরোবে তো?"
"বাঘের বাচ্চার মত বেরোবে, বউ দেখবি বাচ্চার বদলে একটা লাউ প্রসব করবে জার মধ্যে থেকে তোর মত কালো কালো রাবনের ছেলীর মত এক পাল বুনো বাচ্চা হবে", আই ওয়াজ অ্যাসিওরড। )
(*** আগাগোড়া সত্যি না হলেও, কিছু টা তো বটেই। তবে ঠিক কতো টা, সেটা বরং থাক।)