- জানিস ব্লু-বলস কাকে বলে?
- কি করে জানব, আমি তো আর তোর মত আমেরিকান সিরিজ দেখে দেখে ছেলেবেলা টা কাটাই নি।
- আঃ! অশিক্ষিতর বাচ্চা! হ্যান্ডেল মারতে কোন ক্লাস এ শিখেছিস?
- ক্লাস নাইনে, প্রথম বার পানু দেখেছহিলাম ক্লাস সেভেন এ। প্রায় বমি পেয়ে গেসলো।
- ওহফ! ন্যাকাচোদা। আমি ক্লাস এইটে শিখেছিলাম। আমাদের ক্লাসে সন্দীপন বলে একটা ছেলে পড়তো। বাঁশদ্রোণী খাল পাড়ে থাকতো। বাপ দিনে কারখানায় আর রাতে পাড়ায় তৃণমূলের নাম করে হুজ্জতি করত। এক নম্বরের রাঁড়বাজ মাল ছিল। সেই ছেলে টা একদিন স্কুলে এসে আমায় বলেছিল, " দ্বৈপায়ন, রাত্তি বেলা কেবেল চ্যানেল এ টুকুস টুকুস মাই-ওয়ালা মাগি দ্যাখায়, ওগুলো দেখতে দেখতে নিজের বাঁড়া টার উপরের স্কিন টা নিয়ে নাড়াচাড়া করবি, দেখবি কি আরাম হবে! "
- আহারে! তারপর?
- তারপর আর কি, ঠিক মনে হল আমি কোনো ডাবল এজেন্ট, সীমান্তের এক প্রান্তের খবর আরেক প্রান্তে পোঁছাতে যাবো। আর সন্দীপন আমার ইনফরমার। কি অদ্ভুত সেই থ্রিল্।
-ঐ দিন ই ফার্স্ট হ্যান্ডেল মারলি?
-পাগল নাকি? আমি পুরো ব্যাপার টা আগে গিয়ে বললাম আমাদের অ্যারিস্ততল, মকাই বলে আরেক বন্ধুকে।
-কি বললি এক্স্যাক্টলী?
- বললাম, "ও এরকম করতে বলল, করা টা কি উচিত হবে?", শুনে মকাই বলল, " হ্যাঁ, অবশ্যই, শুধু প্রথম বারে তো কিছু হবে না, খাল দিয়ে পানি বওয়ানোর জন্যে কিছু তো স্যাক্রিফাইস করতে হবে।" আমি জিজ্ঞেস করলাম, "কি করতে হবে?", তখন আমি উত্তেজনার একটা আলাদা লেভেলে আছি,মকাই ঠাণ্ডা গলায় বলল, "ভাই, বার বার করতে হবে, প্র্যাকটিস করতে হবে, দীপঙ্কর দা'র ক্লাসে শুধু রাইডার পারলে হবে, শুয়োরের বাচ্চা?"
আমি তখন উত্তেজনায়, ঘেমে নেয়ে টেনসানে ল্যাবাচোদা হয়ে গেছি। চুপ চাপ শুনলাম, আর কাউকে কিছু বললাম না।
- তারপর? কবে মারলি?
- আরে ঐদিন বারি ফিরে, হোম ওয়ার্ক নিয়ে এতই মগ্ন হয়ে গেছিলাম যে এই কথা টা ভুলেই গেছিলাম। র্যাঙ্ক করতাম, পড়াশোনা-চোদা ছিলাম। সুযোগ টা এলো তার দিন তিনেক পর। স্কুল থেকে বারি ফিরে দেখি বাবা মা উত্তাল ঝগড়া করছে। চারি দিকে ভাঙ্গা ফুলদানী, ক্রকারিস, বেডরুম টা খোঁয়াড় হয়ে আছে। এরকম কিছু হলে বাপ-মা আমাকে কামডহরিতে দিদার কাছে পাঠিয়ে দিত। দিদার বাড়ি টা একটা অদ্ভুত ইউটোপিয়া ছিল। ময়দার রুটি, পনীর এর অসাধারন একটা তরকারি, মিষ্টি খেয়ে, রাতের বেলা ইচ্ছে করে টিভির ঘরে শুলাম।
- তারপর? খ্যাঁচালি?
- আরে, শোননা বোকাচোদা! দিদা তো ঘুমের ওষুধ খেয়ে ১২ টার মধ্যে কাদা, তারপর আমি চোরের মত এফ-টিভি টা চালালাম। সুইম-স্যুটস। আহা! রোগা রোগা মেয়ে গুলো দুদু বের করে, রিঅ্যাকশান-লেস মুখ করে, টুক টুক করে হাঁটছে, শরীর এর এই পাশ ঐ পাশ দিয়ে সাইকেডেলিক আলো, কি অদ্ভুত ভালই না লাগছে! আমি আস্তে আস্তে প্যান্টে হাত ঢোকালাম।
- হল? মাল বেরোল?
-বেরোল মানে? হই হই করে বেরোল! তার পর একটা ট্রিপের মত ফীলিং। সব কিছু ভাল লাগছে। নিজের মস্তিস্কের উপর কেমিক্যাল ম্যানিপুলেশান যেন। আই ওয়েনট আউট অফ কন্ট্রোল। তার পর গুনে গুনে আট বার খ্যাঁচালাম। জেই দাঁড়ানোর কনডিশানে আসছে অমনি শুরু, আব্র ক্লান্ত হয়ে পরলে আধ ঘণ্টার গ্যাপ। যৌনাঙ্গ টা তখন পচা পাউরুটি হয়ে গ্যাছে। মাথা ঘুরছে।
-তারপর?
- পরদিন দিদার বাড়ি থেকেই স্কুলে গেলাম। ফার্স্ট পিরিয়ডে ক্লাস টিচারের জিওগ্রাফী ক্লাস হয়ে যাওয়ার পর, মকাই এর কাছে আবার গেলাম। জিজ্ঞাসা করলাম, "ভাই, বাঁড়া টার তো এরকম করুন কনডিশান, কি করব? টিউব-ওয়েল টা তো সারাতে হবে? ব্যাথায় তো ভাল করে বসতেও পারছি না!" মকাই একটা ঠাণ্ডা চোখে আমার দিকে তাকাল, বলল,"ঠিক করে দেব? এই প্রবলেম টার নাম Reverse-Blueballs", তখন মকাই ক্লাস এইট কিন্তু, সেক্স-পার্ট, সেক্স- অ্যাডভাইসার, তখন থেকেই।**
-কি ভাবে সারাল?
-সেটা থাক, আর বলব না। আনেক রকম উপায় আছে। হি অ্যাপ্লায়েড দ্য বেস্ট মেথড।
-বলনা?
-থাক।***
(** মকাই আস্তে আস্তে আমার দিকে এগিয়ে এলো, লাইটের স্পিডে আমার বাঁড়া টা বজ্র-থাবায় ধরল, তার পর প্যাঁ করে টিপে দিলো। আমি তখন যন্ত্রণার চোটে নীল হয়ে গেছি। মকাই আমার কানে ফিসফিস করে বলল, "যা বাঁড়া, এবার এমন ব্যাথা হবে যে আর কিছু বুঝতেই পারবিনা। নাম্ব হয়ে যাবে। আমি খাবি খেতে খেতে প্রশ্ন করলাম, "আবার বেরোবে তো?"
"বাঘের বাচ্চার মত বেরোবে, বউ দেখবি বাচ্চার বদলে একটা লাউ প্রসব করবে জার মধ্যে থেকে তোর মত কালো কালো রাবনের ছেলীর মত এক পাল বুনো বাচ্চা হবে", আই ওয়াজ অ্যাসিওরড। )
(*** আগাগোড়া সত্যি না হলেও, কিছু টা তো বটেই। তবে ঠিক কতো টা, সেটা বরং থাক।)
- কি করে জানব, আমি তো আর তোর মত আমেরিকান সিরিজ দেখে দেখে ছেলেবেলা টা কাটাই নি।
- আঃ! অশিক্ষিতর বাচ্চা! হ্যান্ডেল মারতে কোন ক্লাস এ শিখেছিস?
- ক্লাস নাইনে, প্রথম বার পানু দেখেছহিলাম ক্লাস সেভেন এ। প্রায় বমি পেয়ে গেসলো।
- ওহফ! ন্যাকাচোদা। আমি ক্লাস এইটে শিখেছিলাম। আমাদের ক্লাসে সন্দীপন বলে একটা ছেলে পড়তো। বাঁশদ্রোণী খাল পাড়ে থাকতো। বাপ দিনে কারখানায় আর রাতে পাড়ায় তৃণমূলের নাম করে হুজ্জতি করত। এক নম্বরের রাঁড়বাজ মাল ছিল। সেই ছেলে টা একদিন স্কুলে এসে আমায় বলেছিল, " দ্বৈপায়ন, রাত্তি বেলা কেবেল চ্যানেল এ টুকুস টুকুস মাই-ওয়ালা মাগি দ্যাখায়, ওগুলো দেখতে দেখতে নিজের বাঁড়া টার উপরের স্কিন টা নিয়ে নাড়াচাড়া করবি, দেখবি কি আরাম হবে! "
- আহারে! তারপর?
- তারপর আর কি, ঠিক মনে হল আমি কোনো ডাবল এজেন্ট, সীমান্তের এক প্রান্তের খবর আরেক প্রান্তে পোঁছাতে যাবো। আর সন্দীপন আমার ইনফরমার। কি অদ্ভুত সেই থ্রিল্।
-ঐ দিন ই ফার্স্ট হ্যান্ডেল মারলি?
-পাগল নাকি? আমি পুরো ব্যাপার টা আগে গিয়ে বললাম আমাদের অ্যারিস্ততল, মকাই বলে আরেক বন্ধুকে।
-কি বললি এক্স্যাক্টলী?
- বললাম, "ও এরকম করতে বলল, করা টা কি উচিত হবে?", শুনে মকাই বলল, " হ্যাঁ, অবশ্যই, শুধু প্রথম বারে তো কিছু হবে না, খাল দিয়ে পানি বওয়ানোর জন্যে কিছু তো স্যাক্রিফাইস করতে হবে।" আমি জিজ্ঞেস করলাম, "কি করতে হবে?", তখন আমি উত্তেজনার একটা আলাদা লেভেলে আছি,মকাই ঠাণ্ডা গলায় বলল, "ভাই, বার বার করতে হবে, প্র্যাকটিস করতে হবে, দীপঙ্কর দা'র ক্লাসে শুধু রাইডার পারলে হবে, শুয়োরের বাচ্চা?"
আমি তখন উত্তেজনায়, ঘেমে নেয়ে টেনসানে ল্যাবাচোদা হয়ে গেছি। চুপ চাপ শুনলাম, আর কাউকে কিছু বললাম না।
- তারপর? কবে মারলি?
- আরে ঐদিন বারি ফিরে, হোম ওয়ার্ক নিয়ে এতই মগ্ন হয়ে গেছিলাম যে এই কথা টা ভুলেই গেছিলাম। র্যাঙ্ক করতাম, পড়াশোনা-চোদা ছিলাম। সুযোগ টা এলো তার দিন তিনেক পর। স্কুল থেকে বারি ফিরে দেখি বাবা মা উত্তাল ঝগড়া করছে। চারি দিকে ভাঙ্গা ফুলদানী, ক্রকারিস, বেডরুম টা খোঁয়াড় হয়ে আছে। এরকম কিছু হলে বাপ-মা আমাকে কামডহরিতে দিদার কাছে পাঠিয়ে দিত। দিদার বাড়ি টা একটা অদ্ভুত ইউটোপিয়া ছিল। ময়দার রুটি, পনীর এর অসাধারন একটা তরকারি, মিষ্টি খেয়ে, রাতের বেলা ইচ্ছে করে টিভির ঘরে শুলাম।
- তারপর? খ্যাঁচালি?
- আরে, শোননা বোকাচোদা! দিদা তো ঘুমের ওষুধ খেয়ে ১২ টার মধ্যে কাদা, তারপর আমি চোরের মত এফ-টিভি টা চালালাম। সুইম-স্যুটস। আহা! রোগা রোগা মেয়ে গুলো দুদু বের করে, রিঅ্যাকশান-লেস মুখ করে, টুক টুক করে হাঁটছে, শরীর এর এই পাশ ঐ পাশ দিয়ে সাইকেডেলিক আলো, কি অদ্ভুত ভালই না লাগছে! আমি আস্তে আস্তে প্যান্টে হাত ঢোকালাম।
- হল? মাল বেরোল?
-বেরোল মানে? হই হই করে বেরোল! তার পর একটা ট্রিপের মত ফীলিং। সব কিছু ভাল লাগছে। নিজের মস্তিস্কের উপর কেমিক্যাল ম্যানিপুলেশান যেন। আই ওয়েনট আউট অফ কন্ট্রোল। তার পর গুনে গুনে আট বার খ্যাঁচালাম। জেই দাঁড়ানোর কনডিশানে আসছে অমনি শুরু, আব্র ক্লান্ত হয়ে পরলে আধ ঘণ্টার গ্যাপ। যৌনাঙ্গ টা তখন পচা পাউরুটি হয়ে গ্যাছে। মাথা ঘুরছে।
-তারপর?
- পরদিন দিদার বাড়ি থেকেই স্কুলে গেলাম। ফার্স্ট পিরিয়ডে ক্লাস টিচারের জিওগ্রাফী ক্লাস হয়ে যাওয়ার পর, মকাই এর কাছে আবার গেলাম। জিজ্ঞাসা করলাম, "ভাই, বাঁড়া টার তো এরকম করুন কনডিশান, কি করব? টিউব-ওয়েল টা তো সারাতে হবে? ব্যাথায় তো ভাল করে বসতেও পারছি না!" মকাই একটা ঠাণ্ডা চোখে আমার দিকে তাকাল, বলল,"ঠিক করে দেব? এই প্রবলেম টার নাম Reverse-Blueballs", তখন মকাই ক্লাস এইট কিন্তু, সেক্স-পার্ট, সেক্স- অ্যাডভাইসার, তখন থেকেই।**
-কি ভাবে সারাল?
-সেটা থাক, আর বলব না। আনেক রকম উপায় আছে। হি অ্যাপ্লায়েড দ্য বেস্ট মেথড।
-বলনা?
-থাক।***
(** মকাই আস্তে আস্তে আমার দিকে এগিয়ে এলো, লাইটের স্পিডে আমার বাঁড়া টা বজ্র-থাবায় ধরল, তার পর প্যাঁ করে টিপে দিলো। আমি তখন যন্ত্রণার চোটে নীল হয়ে গেছি। মকাই আমার কানে ফিসফিস করে বলল, "যা বাঁড়া, এবার এমন ব্যাথা হবে যে আর কিছু বুঝতেই পারবিনা। নাম্ব হয়ে যাবে। আমি খাবি খেতে খেতে প্রশ্ন করলাম, "আবার বেরোবে তো?"
"বাঘের বাচ্চার মত বেরোবে, বউ দেখবি বাচ্চার বদলে একটা লাউ প্রসব করবে জার মধ্যে থেকে তোর মত কালো কালো রাবনের ছেলীর মত এক পাল বুনো বাচ্চা হবে", আই ওয়াজ অ্যাসিওরড। )
(*** আগাগোড়া সত্যি না হলেও, কিছু টা তো বটেই। তবে ঠিক কতো টা, সেটা বরং থাক।)
lekhar haat toh bhaloi - narration style tao ekghor, content niye arektu khatle ekta bhalo blogger pabo amra.
ReplyDeleteমাথায় রইল স্যার!
Deletebhalo laglo lekhata.....aga gora sotyi bolei theklo.....etai jothesto....ja bojhate chawa hoyechhe..bojha jachchhe :)
ReplyDelete:D
DeleteOuff!!!! :D :D
ReplyDelete:D tokhon tora buro hoye jashni
ReplyDelete