সবার আগে দুটো জিনিস ক্লিয়ার করে নি।
এক, আমি ভয়ঙ্কর ভাবে প্রাদেশিক, স্বভিনিস্ট, নির্লজ্জ ভাবে ইনক্লাইন্ড টুওয়ার্ডস সেক্স এবং মানুষের প্রতি সম্মান আমার খুবই কম।
দুই, হবে না ভাই। পোঁদ পিঁয়াজি টা হবেনা।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে সিগারেট টানছিলাম। চোখের সামনে গরু ছাগলের মত একপাল মানুষ, প্যাঁ পোঁ ঘ্যাস ঘ্যাস অটো, রিকশা, অনুচ্চারিত খিস্তি, গরম আওয়াজ (প্রশ্ন উঠতে পারে আওয়াজ কি করে গরম হয়। সেক্ষেত্রে আমি প্রশ্নকর্তার ইম্যাজিনেশান নিয়ে প্রশ্ন তুলব। তর্ক টা দীর্ঘতর হবে, অনাবশ্যক কথা বাড়বে এবং আলটিমেটলি আমাদের দুজনকেই ভয়ানক ইন্টেলেকচুয়াল মনে হবে। তাই থাক। তর্ক তোলা থাকলো। শব্দ গরম হয়, ঠাণ্ডা হয়, লাল, নীল, সবুজ, কালো, হিংসুটে, বিষাক্ত, এরকম আর অনেক কিছু হয়।), ল্যাংটো বাচ্চা, হাই-ড্রেন, ধোঁওয়া, ধুলো, দুর্গন্ধ সব মিলিয়ে একটা নর্মাল শহরের নর্মাল ছোট বড়-রাস্তার সব রকম উপাদান-ই ছিল। সিগারেট টায় গোটা ছয়েক টান দেওয়ার পর-ই আমার মনে কবিতার জন্ম হল। আসলে আমি হাই-ড্রেন টার দিকেই তাকিয়ে আলবাল ভাবছিলাম (যেটা আমার প্রিয় কাজ। অ্যাটলিস্ট বোকাবোকা লোকের সাথে হ্যাজানোর থেকে তো বেটার) এবং এটা বেসিক্যালি তার জন্যেই হল।
কারুর কারুর নদী দেখে কবিতা আসে, কারুর কারুর হাই-ড্রেন।
আমার এক বাংলার স্যার ছিলেন। মানে বেঁচে আছেন বহাল তবিয়তে কিন্তু যে পরিমান মদ্যপান তিনি প্রতিনিয়ত করে থাকেন তাতে আমি বেশ চিন্তিত। কিন্তু আশ্চর্য লাগে এটা ভেবে যে আমি যখন বিঞ্জ ড্রিঙ্কিং করি তখন আমার বিন্দু মাত্র চিন্তা হয়না। happiness is a warm gun!
যাই হোক, তিনি বলতেন, "বাবা, আমি সন্ধে বেলা ভয়ানক দামী স্কচ খেয়ে বাড়ি ফিরে, বউ বাচ্ছার সাথে মিষ্টি মিষ্টি করে তারপর পাঁঠার রগরগে ঝোল আর রুটি খেয়ে, আরো একটা পেগ আর গোল্ডফ্লেক কিংসাইজ নিয়ে বারান্দায় বসে যদি লিখি, 'এ মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না' তাহলে সেটা আমার আত্মার সাথে বেইমানি হবে।" এই রোগ টার পোশাকি নাম হল 'সখের মজদুরি'।
তবে আত্মা-ফাত্মা কিছু হয়না, টাকা হয়, নাম হয়, যশ হয়, সেক্স হয়, আরো এরকম মেটিরিয়ালিস্টিক অনেক কিছু হয়, তার সাথে আরও অনেক কিছু হয়, তার সাথে আরও অনেক কিছু। কিন্তু আত্মা হয়না। কোলকাতা শহরে তো নয়-ই।
কিন্তু তার মানে কি এই যে সবাই পোঁদ-ই মারাচ্ছে? কবিতারা কি ডাইলিউট হতে হতে আলটিমেটলি কালি আর কলম-ই হয়ে গেল?
আমার বাবা বলেন, তাগিদ টা আর নেই। তিনি তাঁর সময় তাঁর মত করে চেষ্টা করেছিলেন। তারপর সংসারের ডামাডোলে সব গোলমাল হয়ে যায়।
এবার প্রশ্ন হল তাগিদ নেই কেন?
নেই কেন?
কেন নেই?
উত্তর নেই।
টাটা।
রাস্তায় দাঁড়িয়ে সিগারেট টানছিলাম। চোখের সামনে গরু ছাগলের মত একপাল মানুষ, প্যাঁ পোঁ ঘ্যাস ঘ্যাস অটো, রিকশা, অনুচ্চারিত খিস্তি, গরম আওয়াজ (প্রশ্ন উঠতে পারে আওয়াজ কি করে গরম হয়। সেক্ষেত্রে আমি প্রশ্নকর্তার ইম্যাজিনেশান নিয়ে প্রশ্ন তুলব। তর্ক টা দীর্ঘতর হবে, অনাবশ্যক কথা বাড়বে এবং আলটিমেটলি আমাদের দুজনকেই ভয়ানক ইন্টেলেকচুয়াল মনে হবে। তাই থাক। তর্ক তোলা থাকলো। শব্দ গরম হয়, ঠাণ্ডা হয়, লাল, নীল, সবুজ, কালো, হিংসুটে, বিষাক্ত, এরকম আর অনেক কিছু হয়।), ল্যাংটো বাচ্চা, হাই-ড্রেন, ধোঁওয়া, ধুলো, দুর্গন্ধ সব মিলিয়ে একটা নর্মাল শহরের নর্মাল ছোট বড়-রাস্তার সব রকম উপাদান-ই ছিল। সিগারেট টায় গোটা ছয়েক টান দেওয়ার পর-ই আমার মনে কবিতার জন্ম হল। আসলে আমি হাই-ড্রেন টার দিকেই তাকিয়ে আলবাল ভাবছিলাম (যেটা আমার প্রিয় কাজ। অ্যাটলিস্ট বোকাবোকা লোকের সাথে হ্যাজানোর থেকে তো বেটার) এবং এটা বেসিক্যালি তার জন্যেই হল।
কারুর কারুর নদী দেখে কবিতা আসে, কারুর কারুর হাই-ড্রেন।
আমার এক বাংলার স্যার ছিলেন। মানে বেঁচে আছেন বহাল তবিয়তে কিন্তু যে পরিমান মদ্যপান তিনি প্রতিনিয়ত করে থাকেন তাতে আমি বেশ চিন্তিত। কিন্তু আশ্চর্য লাগে এটা ভেবে যে আমি যখন বিঞ্জ ড্রিঙ্কিং করি তখন আমার বিন্দু মাত্র চিন্তা হয়না। happiness is a warm gun!
যাই হোক, তিনি বলতেন, "বাবা, আমি সন্ধে বেলা ভয়ানক দামী স্কচ খেয়ে বাড়ি ফিরে, বউ বাচ্ছার সাথে মিষ্টি মিষ্টি করে তারপর পাঁঠার রগরগে ঝোল আর রুটি খেয়ে, আরো একটা পেগ আর গোল্ডফ্লেক কিংসাইজ নিয়ে বারান্দায় বসে যদি লিখি, 'এ মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ না' তাহলে সেটা আমার আত্মার সাথে বেইমানি হবে।" এই রোগ টার পোশাকি নাম হল 'সখের মজদুরি'।
তবে আত্মা-ফাত্মা কিছু হয়না, টাকা হয়, নাম হয়, যশ হয়, সেক্স হয়, আরো এরকম মেটিরিয়ালিস্টিক অনেক কিছু হয়, তার সাথে আরও অনেক কিছু হয়, তার সাথে আরও অনেক কিছু। কিন্তু আত্মা হয়না। কোলকাতা শহরে তো নয়-ই।
কিন্তু তার মানে কি এই যে সবাই পোঁদ-ই মারাচ্ছে? কবিতারা কি ডাইলিউট হতে হতে আলটিমেটলি কালি আর কলম-ই হয়ে গেল?
আমার বাবা বলেন, তাগিদ টা আর নেই। তিনি তাঁর সময় তাঁর মত করে চেষ্টা করেছিলেন। তারপর সংসারের ডামাডোলে সব গোলমাল হয়ে যায়।
এবার প্রশ্ন হল তাগিদ নেই কেন?
নেই কেন?
কেন নেই?
উত্তর নেই।
টাটা।
Pseudo..
ReplyDelete